প্রথম নজির বিহীন ঘটনা: নড়ে চড়ে বসেছে পুলিশ

প্রথম নজির বিহীন ঘটনা: নড়ে চড়ে বসেছে পুলিশ


চট্টগ্রামে আলোচিত সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেছে সিএমপি। 


ফেসবুক লাইভে এসে বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি আরিফুর রহমানকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার একদিন পরই এবার নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। 

কোনও সন্ত্রাসের এভাবে লাইভে এসে পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার হুমকি চট্টগ্রামে এই প্রথম।

আগ্নেয়াস্ত্র হাতে কখনও মহড়া, কখনও চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে ঢুকে প্রকাশ্যে গুলি করে আতঙ্ক সৃষ্টি। চট্টগ্রামের বায়েজিদ, চাদগাঁও ও হাটহাজারী থানা এলাকায় দীর্ঘদিন এমন ত্রাস চালালেও শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ মূলত আলোচনায় আসে পাঁচ আগস্টের পরে মোহাম্মদ আনিস, মাসুদ কাইসার ও তাহসিন কে খুনের পর।এর পর থেকে তাঁকে ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নানা তৎপরতা চালালে আত্মগোপনে চলে যায় দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী।

গেল বছরের ৪ ডিসেম্বর অক্সিজেন এলাকায় অভিযান চলাকালে পুলিশকে গুলি করে পালিয়ে যায় সে৷ কয়েকদিন পর পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে তাঁর স্ত্রী।

সম্প্রতি অভিযানে আটক হয় তার কয়েকজন সহযোগী। এরপর গেল ২৮ জানুয়ারি রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১৯ মিনিট ধরে লাইভে বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি আরিফুর রহমানকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজের পাশাপাশি প্রাণে মারার হুমকি দেয় বুড়ির নাতি হিসেবে পরিচিত এই সন্ত্রাসী।

কোনো সন্ত্রাসী এভাবে লাইভে এসে পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার হুমকি চট্টগ্রামে এই প্রথম। এ ঘটনায় জিডি করেছেন ওসি আরিফুর। সেই সাথে সাজ্জাদকে ধরিয়ে দিতে বৃহস্পতিবার পুরস্কার ঘোষণা করেছে সিএমপি।

এ বিষয়ে সিএমপির উপ পুলিশ কমিশনার মো.রইছ উদ্দিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সরাসরি হুমকি দেওয়া এটা অত্যন্ত অনভিপ্রেত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত।বিষয়টা কী?আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং এই সংক্রান্ত আমাদের যা আইনগত কার্যক্রম সেটাও আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। বিশেষ করে আমরা এ ঘটনা সংক্রান্ত একটি জিডি করেছি বায়েজিদ থানায় এবং তাকে যে গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের অভিযান সেটাকে আরও জোরদার করা হয়েছে।

পিতামাতা ছাড়া অভিভাবকহীন বেড়ে ওঠা এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজি সহ ১৪ টি মামলা রয়েছে। বর্তমানে বিএনপির শীর্ষ এক নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদ।

সেলফি তুলতে গিয়ে কলেজছাত্র নিখোঁজ, যমুনা থেকে লাশ উদ্ধার

বগুড়ার ধুনটে শুক্রবার যমুনা নদীতে নেমে সেলফি তোলার সময় ঘূর্ণাবর্তে ডুবে যাওয়া কলেজছাত্র জুনায়েদ রহমান সাদের (১৮) মরদেহ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় ও রাজশাহী থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা প্রায় ২০ ঘণ্টা পর শনিবার দুুপুরে উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের বানিয়াজান সেতুর কাছ থেকে তার লাশটি উদ্ধার করেন। শুক্রবার বিকালে স্পার এলাকায় এ ঘটনার সময় মাঝিমাল্লারা তার তিন সহপাঠী বন্ধুকে উদ্ধার করেন। ধুনট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দলনেতা হামিদুর রহমান শনিবার বিকালে এ তথ্য জানান। 

মৃত জুনায়েদ রহমান সাদ উপজেলার টাউন কলোনির জাহিদুর রহমান ময়দানের ছেলে। তিনি পল­ী উন্নয়ন একাডেমি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিকালে সহপাঠী ও স্কুলজীবনের বন্ধু একই এলাকার মাফিজ ইকবাল, সোয়েব আহম্মেদ এবং অওফি হাসানকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের যমুনা নদীর বানিয়াজান স্পার (বাঁধ) এলাকায় যান।

এরপর চার বন্ধু নদীতে নেমে সেলফি তোলায় মেতে ওঠেন। এক পর্যায়ে তারা নদীতে থাকা প্রচণ্ড ঘূর্ণাবর্তে ডুবে যেতে থাকেন। তাদের চিৎকারে আশপাশে থাকা নৌকার মাঝিমাল্লারা দ্রুত এগিয়ে এসে তিন তরুণকে উদ্ধার করেন। ততক্ষণে সাদ নদীতে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হন। কলেজছাত্র সাদের অকাল মৃত্যুতে শুধু তাদের পরিবার নয়; পুরো এলাকাবাসী ও সহপাঠীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

খুলনায় ইউপি চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন

খুলনার পাইকগাছায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : কালবেলা

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের নৌকার চেয়ারম্যান ও সাবেক পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদকে চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের বাকা বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বস্তরের ছাত্র জনতা ও সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।


এসময় বক্তারা বলেন, স্বৈরাচারী খুনি হাসিনার দোসর পুলিশের এসপি তরিকুল ইসলাম উজ্জলের পিতা রাড়ুলী ইউনিয়নের নৌকার চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় আরো বড় ধরনের আন্দোলনের কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে।


মানববন্ধনে ছাত্র সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিমের সভাপতিত্ব এসময় বক্তব্য রাখেন হান্নান গাজী, মো. বাচ্চু গাজী, মাসুদ রানা, ইকবাল হোসেন ইদ্রিস আলী, আমিরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, আজারুল ইসলাম, আরমান হোসেনসহ আরো অনেকেই।


ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, মিথ্যা অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করা হয়েছ। আমি যদি অপরাধী হই সরকার তদন্ত করে আমাকে অপসরণ করুক।


    নবীনতর পূর্বতন