পাঁচ কবর থেকে মাথার খুলি চুরি
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে একটি কবরস্থানের পৃথক ৫টি কবর থেকে মাথার খুলি চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকালে কবরস্থান পরিষ্কার করতে গেলে স্থানীয় মুসল্লিরা কবর থেকে খুলি চুরি ঘটনা দেখতে পায়। জেলার শ্রীনগর উপজেলার পূর্ব বেঁজগাঁও কবরস্থানে বৃহস্পতিবার রাতের যে কোন সময় খুলি চুরির এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পূর্ব বেঁজগাঁও কবরস্থানের সভাপতি আবুল কালাম কানন জানান, সকাল ৯টার দিকে পূর্ব বেঁজগাঁও কবরস্থান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে যান মুসল্লিরা। এসময় তারা পৃথক ৫টি কবর খোঁড়াখুঁড়ি অবস্থায় দেখতে পান। পরে মুসল্লিকে খবর দেন।
জেলার শ্রীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান জানান, ওই কবরস্থানের সভাপতির কাছ থেকে খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। এসময় সেখানে ৫টি কবর খোঁড়া অবস্থায় দেখা গেছে। ওই কবরগুলো থেকে খুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে রাতের আঁধারে কবর থেকে খুলি গুলো চুরি করা হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্নে যা বললেন ট্রাম্প-
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপ স্টেটের কোনো ভূমিকা ছিল না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠক শেষে এক ভারতীয় সাংবাদিকের কাছ থেকে প্রশ্নটি আসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দিকে। তিনি জানতে চান, ‘আমরা জানি বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলে বাইডেন প্রশাসনের সময় মার্কিন ডিপ স্টেট জড়িত ছিল। সম্প্রতি মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জুনিয়র সোরোসের (জর্জ সোরোসের ছেলে) বৈঠকেও তা প্রমাণিত। তো বাংলাদেশ নিয়ে আপনি কী বলবেন?’
জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমাদের ডিপ স্টেটের এখানে (বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে) কোনো ভূমিকা ছিল না। প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র মোদি) এই বিষয়টা নিয়ে বহুদিন ধরে কাজ করছেন। এটা নিয়ে (ভারত) শত শত বছর ধরে কাজ করছে। বস্তুত আমি এরকমই পড়েছি। ’
এরপর তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিষয়টি (উত্তর দিতে) আমি (ভারতের) প্রধানমন্ত্রীর ওপরই ছেড়ে দেবো’, পাশে বসা নরেন্দ্র মোদির দিকে ইঙ্গিত করে বলেন ট্রাম্প।
এর আগে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের অর্থনৈতিক সম্পর্কে ‘ন্যায্যতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার’ সংকল্প ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমবে এবং সম্ভবত শুল্ক বাড়বে।
ট্রাম্প বলেন, ‘ভারত যে পরিমাণ শুল্ক আরোপ করবে, আমরাও সেই পরিমাণই আরোপ করবো। সুতরাং সত্য বলতে কি, তারা কত শুল্ক ধার্য করলো, তাতে আমাদের আর কিছু যায় আসে না। ’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মূলত সমান সুবিধা পেতে চাই। ’
