ওয়ালটন ও মার্সেল কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
ওয়ালটন ও মার্সেল কোম্পানি কৌশলে ডিস্ট্রিবিউটরদের (এজেন্ট) সঙ্গে প্রতারণা করে হাজার হাজার পরিবারকে পথে বসিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে ওই অভিযোগ করেন কোম্পানি দুটির দেশের ৬৪ জেলার ডিস্ট্রিবিউটররা।
মানববন্ধনে লিখিত বক্তৃতায় ক্ষতিগ্রস্ত ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের মুখপাত্র জাহাঙ্গীর আলম রাজীব বলেন, ওয়ালটন ও মার্সেলের সঙ্গে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসা করে দেশের ৬৪ জেলার ডিস্ট্রিবিউটররা প্রতারণার শিকার হয়েছে। আমরা এই দেশের নাগরিক, আমাদেরও পরিবার আছে। আমরা আমাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে বাঁচতে চাই। আমাদের ৪০-৪৫% ছাড়ে পণ্য বিক্রির বাধ্যবাধকতা থাকলেও কমিশন দেওয়া হয়েছে যৎসামান্য। এ ছাড়া আমাদের হিসাব লেজারে কোম্পানির ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে অস্বচ্ছ ও অস্বাভাবিক অর্থের লেনদেন যোগ করে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তাই ৬৪ জেলার ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে করা কোম্পানির এই প্রতারণার বিষয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি।
মানববন্ধনে শতাধিক ব্যক্তি অংশ নিয়ে কোম্পানি দুটির বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন।
আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তি দাবিতে বিএনপি নেতার কর্মসূচি
চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা ছালামত আলীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিএনপি নেতার মানববন্ধন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ঘেরাও করে।
মঙ্গলবার সকালে সৃষ্ট উত্তেজনা পুলিশের উপস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণে আসে।
জানা গেছে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমাবেশে হামলার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় রিয়াজউদ্দিন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ছালামত আলীকে গ্রেফতার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। তিনি রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকার মৃত হাজি মুন্সি মিয়ার ছেলে ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য।
রিয়াজউদ্দীন বাজার ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রিয়াজউদ্দীন বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আবদুস শুক্কুরসহ কয়েকজন নেতা ছালামত আলীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও তার মুক্তির দাবিতে মঙ্গলবার মানববন্ধন কর্মসূচির ডাক দেন। সকালে তারা জড়ো হয়েছিলেন; কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা সকাল থেকে সমিতির অফিস ঘেরাও করলে কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়।
কর্মসূচি আহ্বানকারী বিএনপি নেতা ও সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আবদুস শুক্কুর যুগান্তরকে বলেন, ব্যবসায়ী হিসেবে ছালামত আলীর পক্ষে মানববন্ধন করার ডাক দিয়েছিলাম। সমিতির অফিসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের ঝামেলার কারণে মানববন্ধন করতে পারিনি।
সিএমপির ডিসি (দক্ষিণ) শাকিলা সোলতানা যুগান্তরকে জানান, ছালামত আলীকে গ্রেফতার করায় মানববন্ধন করার চেষ্টা করেছিল কিছু লোক। তবে কেউ রাস্তায় নামেনি। পুলিশের উপস্থিতির কারণে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।