রৌমারীতে দুগ্রুপে সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১৭

রৌমারীতে দুগ্রুপে সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১৭



রৌমারীতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে পুলিশের সামনে দুগ্রুপের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘষের্র  ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের নারী-পুরুষ ও পুলিশসহ ১৭ জন আহত হয়েছেন। 

আহতদের রৌমারীর রাজীকপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৭ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায়  উভয়পক্ষে পালটাপালটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। 

মঙ্গলবার সকালে যাদুরচর ইউনিয়নের ধনার পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গেছে, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে যাদুরচর ইউনিয়নের ধনারচর পশ্চিমপাড়া গ্রামের তমুর উদ্দিনের ছেলে আবুল হোসেনের সঙ্গে একই গ্রামের কাজিম উদ্দিনের ছেলে নুরুল ইসলামের সঙ্গে জমি নিয়ে আদালতে পালটাপালটি মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল। 

মঙ্গলবার সেই বিরোধপূর্ণ জমিতে আবুল হোসেনের পক্ষের শতাধিক ভাড়াটিয়া লোকজন অতর্কিতে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঢুকে শরিষা তুলে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিল। এ অবস্থা দেখে নুরুল ইসলামের লোকজন ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য এসআই খুকীন, কনস্টেবল রাসেদ ও সোহেল ঘটনাস্থলে যান। 

এ সময় পুলিশের সামনে নুরুল ইসলামের পক্ষের লোকজন বাধা দিলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় এবং তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। 

ঘণ্টাব্যাপী তারা লাঠিশোটা, দা, কুড়ালসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্রশস্ত্রসহ আক্রমণ চালায়। খবর পেয়ে এসআই শাহাদৎ হোসেনসহ অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে উভয়পক্ষের নারী-পুরুষ ও পুলিশসহ ১৭ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়রা রৌমারী ও রাজীবপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন। 

গুরুতর আহতরা হলেন, শহিদুল, রিতা, শেফালী, বাচিরন, রাবেয়া, শাহাদৎ হোসেন, মুন্টু মিয়া, রোকেয়াসহ ৭ জন। 

রৌমারীর দায়িত্বরত চিকিৎসক আরিফুর রহমান বলেন, তাদের মধ্যে ৭ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এ বিষয়ে রৌমারী থানায় পালটাপালটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। 

রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ লুৎফর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত দুপক্ষের কেউ অভিযোগ করেননি।  অবিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

সিএনজিতে অতিরিক্ত ভাড়া নিলেই ৬ মাসের জেল, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা-


মিটারের চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করলে সিএনজি বা পেট্রল চালিত অটোরিকশার চালকের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। এ ছাড়া তাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিআরটিএ পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শীতাংশু শেখর বিশ্বাসের স্বাক্ষরকৃত এক পত্র থেকে মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি জানা যায়। পত্রটি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পুলিশ কমিশনারকে দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, গ্যাস বা পেট্রল চালিত ৪-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার অটোরিকশার জন্য সরকার নির্ধারিত মিটারের ভাড়ার হারের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে মামলা রুজু করার নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

পত্রে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ধারা ৩৫(৩) অনুযায়ী কোনো কন্ট্রাক্ট ক্যারিজের মালিক বা চালক রুট পারমিট এলাকার মধ্যে যে কোনো গন্তব্যে যেতে বাধ্য থাকবেন এবং মিটারে প্রদর্শিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ দাবি বা আদায় করতে পারবেন না। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনের ধারা ৮১ অনুযায়ী অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং চালকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হিসাবে দোষসূচক এক পয়েন্ট কর্তন করার বিধান রয়েছে।

এ অবস্থায়, গ্যাস বা পেট্রল চালিত ৪-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার অটোরিকশার জন্য সরকার নির্ধারিত মিটার হারের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট মোটরযান চালকের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

রৌমারীতে গ্রামপুলিশের বিরুদ্ধে চোরাই গরু জবাইয়ের অভিযোগ-


নবীনতর পূর্বতন